মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

১। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যঃ

যশোর-৫ আসন থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের স্বপন ভট্টাচার্য্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। 

১৯৫২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি যশোর সদর উপজেলার পাড়ালা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন স্বপন ভট্টাচার্য্য। তাঁর পৈতৃক বাড়ি যশোর জেলার যশোর সদর উপজেলার যোগেদ্র নাথ রোড এলাকায় বাবা মৃত সুধীর ভট্টাচার্য্য ও মা মৃত ঊষা রানী ভট্টাচার্য্য। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন মেঝো।

স্বপন ভট্টাচার্য্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।ছাত্রজীবনে শুরুর দিকে যুক্ত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে জড়িত করেন। তার সহোদর পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য। 

পেশায় ব্যবসায়ী স্বপন ভট্টাচার্য্য ২০০৯ সালে মণিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন স্বপন। তাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি স্বরূপ শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। 

এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। 

সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে বিপুল ভোটে জয় পান। এরপর ৩ জানুয়ারি সংসদ  সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। অতঃপর ৭ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 

 

 ২।ডাক্তার জীবন রতন ধর, গ্রাম: ষোলখাদা,ইউনিয়ন:ঝাপা মণিরামপুর,যশোর। তিনি বৃটিশ সেনা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, বৃটিশ সরকারের মিনিস্টার পদে উত্তীর্ন হন। ডাক্তার জীবন রতন ধর এর মা একজন রত্নগর্ভা হিসাবে খেতাব প্রাপ্ত হন।

 

৩। নীল রতন ধর গ্রাম: ষোলখাদা,ইউনিয়ন:ঝাপা মণিরামপুর,যশোর। তিনি ডাক্তার জীবন রতন ধর এর ভাই। যশোর পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হিসাবে মনোনীত হন।

 

৪। শরৎ চন্দ্র মুজমদার, গ্রামঃ পোড়াডাঙ্গা, তিনি পাকিস্থান আমলে সংসদ সদস্য এবং পূর্ব পাকিস্থান সরকারের যুক্তফ্রন্টমন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন

 

৫। ডা: আহাদ আলী খান গ্রাম: গৌরীপুর,ইউনিয়ন: চালুয়াহাটি,মণিরামপুর,যশোর। তিনি ১৯৫৪ সনে যুক্তফ্রন্টের এম এল এ ছিলেন।

 

৬। এড.নুরুল ইসলাম,গ্রাম: বাঙ্গালীপুর,ইউনিয়ন: খানপুর,মণিরামপুর,যশোর। তিনি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে জুনিয়র আইনজীবি হিসাবে দায়িত্বপালন করেছেন।তিনি গণপরিষদ সদস্য ছিলেন।

 

৭। এড.পিষুস কান্তি ভট্টাচার্য্য,গ্রাম: পাড়ালা,ইউনিয়ন:দূর্বাডাংগা। তিনি ১৯৭৩ সনে সংসদ সদস্য ছিলেন।

 

৮। মুফতি ওয়াক্কাস, সাবেক প্রতিমন্ত্রী।

 

৯। এ্যাড. খান টিপু সুলতান, সংসদ সদস্য,৮৯ যশোর-৫, মণিরামপুর,যশোর।

 

১০। জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম খান, সচিব,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter